শিরোনাম:
ইনস্যুরেন্স নিউজ বাংলা ডেস্ক: ৪৫ তম জন্মদিনে দেশ-বিদেশের নিকট আত্মীয়, স্বজন, দেশবরেণ্য বীমা ব্যক্তিত্বগণ এবং জেনিথ ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিঃ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও ভালবাসায় সিক্ত হন জেনিথ ইসলামী লাইফের সিইও এসএম নুরুজ্জামান।
উল্লেখ্য যে, ১৯৭৯ সালের ১৫ এপ্রিল কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে চন্দনাইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বীমা শিল্পের গুণী এ ব্যক্তিত্ব।
দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বীমা পেশায় যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে নিয়োজিত রয়েছেন বীমা শিল্পের এ উজ্জ্বল নক্ষত্র।
মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন বীমা শিল্পে। এসএম নুরুজ্জামান দেশের শীর্ষ স্থানীয় জীবন বীমা কোম্পানী ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সে দীর্ঘ ১ যুগ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার চলতি দায়িত্বও পালন করেছেন।
চতুর্থ প্রজন্মের বীমা প্রতিষ্ঠান জেনিথ ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডএ যোগদান করেন ২০১৪ সালে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তিনি অত্র কোম্পানীর মুখ্য নির্বাহীর চলতি দায়িত্ব পান এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে মুখ্য নিবাহী কর্মকর্তা হিসেবে অনুমোদন লাভ করে অধ্যাবদি পর্যন্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
বীমা শিল্পের পাশাপাশি এসএম নুরুজ্জামান বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন।
পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য ভারত, নেপাল, দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সৌদিআরব, আরব আমিরাত, মালদ্বীপ সহ বিভিন্ন দেশে একাধিক বার সফর করেছেন।
এসএম নুরুজ্জামান বর্তমানে মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ) এর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এর দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও সেন্ট্রাল শরীয়াহ্ কাউন্সিল ফর ইসলামিক ইনস্যুরেন্স অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশন এর লাইফ নন লাইফ টেকনিক্যাল সাব কমিটির সদস্য ও শ্রীমঙ্গল ক্লাব লিঃ এর সদস্য, রোটারী ক্লাব অব আহসান মঞ্জিল এর সদস্য এবং ঢাকাস্থ মুরাদনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন।
ব্যক্তিজীবনে এসএম নুরুজ্জামান ১ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা। দেশের বীমা খাতের উন্নয়নে আজীবন কাজ করে যাওয়াই তার লক্ষ্য।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সময়ের প্রয়োজনেই বীমা খাত এগিয়ে যাবে এবং দেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।